অনুসন্ধান

রোহিঙ্গা নির্যাতন সংক্রান্ত দাবী করে যেসব বীভৎস ছবি ও ভিডিও প্রচার করা হয় থাকে সেসবের অধিকাংশই অপ্রাসঙ্গিক হিসেবে দেখা গিয়েছে। এসব ভিডিওগুলোর অন্যতম হচ্ছে তিব্বতিদের সৎকার রীতি সম্পর্কিত। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও মানুষের লাশ কেটে শকুনকে খাওয়ানোর ভিডিওগুলো মূলত এই সৎকার পদ্ধতির উদাহরণ। যেটিকে তাদের স্থানীয় ভাষায় ‘ঝাতোর’ (Jhator) বা ইংরেজিতে Sky Burial বলা হয়।

তিব্বতিরা মনে করে মৃত্যুর পর, আত্মত্যাগ করলে, মানুষের শরীর মাংসের একটি স্তূপ ছাড়া আর বিশেষ কোন কিছু থাকে না। এটির সাথে ব্যক্তির আত্মার কিংবা সত্ত্বার আর কোন সম্পর্ক থাকে না। আর তাই ঝাতোরকে দেখা হয় মহত্ত্ব হিসেবে, যেহেতু এর মাধ্যমে মৃত ব্যক্তি তার নিজের শরীর দিয়ে জীবিত প্রাণীদের বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।

এই পদ্ধতিতে মানুষের লাশ পাহারের চুড়ায় রাখা হয় প্রাকৃতিকভাবে পচানোর জন্য কিংবা মাংসাশী প্রাণী, যেমন শকুনের খাদ্য হওয়ার জন্য। পশুপাখির ভক্ষণের সুবিধার জন্য লাশগুলো কেটে কেটে রাখা হয়।

অনেকের কাছে এটি নির্দয় মনে হলেও তিব্বতিদের বিশ্বাস অনুযায়ী ‘ঝাতোর’ পালন একটি মহৎ চর্চা।

প্রথম প্রকাশ:
সর্বশেষ হালনাগাদ:

পাদটীকা

তথ্যসূত্র

  1. Gardiner Harris. "Giving New Life to Vultures to Restore a Human Ritual of Death". The New York Times. (ডিসেম্বর ৩০, ২০১২).
  2. Robert Lamb. "How Sky Burial Works". HowStuffWorks. (জুলাই ২৫, ২০১১).

মন্তব্য

আমাদের ফেসবুকগ্রুপে আলোচনায় যুক্ত হোন।: www.facebook.com/groups/jaachai